সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০১৯

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা


আবেগঘন পরিবেশে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ইসরাত জাহানকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছেন কাউখালী উপজেলা পরিষদ । সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে  এ সংবর্ধনার আয়োজন করে।

উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মিঞা মনুর সভাপতিত্বে বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন- সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো.রফিকুল হক,ওসি মো.কামরুজ্জামান তালুকদার,ভাইস-চেয়ারম্যান মৃদুল আহম্মেদ সুমন,ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিলটন,ইউপি চেয়ারম্যান মাহামুদ খান খোকন,ইউপি চেয়ারম্যান সিকদার মো. দেলোয়ার হোসেন, জেলা পরিষদের সদস্য শাহাজাদী রেবেকো শাহীন চৈতী, উপজেলা জাতীয় পার্টির জেপি’র সাধারন সম্পাদক শাহ আলম নসু,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আলী আজিম শরীফ, উপজেলা স্বাস্থ্যও পঃপঃ কর্মকর্তা ডা.ছিদ্দিকুর রহমান,মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন তালুকদার, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অলোক কর্মকার,সরকারি কাউখালী মহাবিদ্যালযের প্রভাষক রবীন মূখোপাধ্যায়,কাউখালী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি আব্দুল লতিফ খসরু,উপজেলা বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুব্রত রায়,দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সুনন্দা সমাদ্দার প্রমূখ।

শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৯

কাউখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০টি প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার বেতকা বাজারে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩০ থেকে ৪০লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কাউখালী উপজেলার চারদিক নদীবেষ্টিত দ্বীপ ইউনিয়ন সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের বেতকা বাজারের এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা প্রায় ৩ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবু বকর সিদ্দিক জানান, আগুনের খবর গভীর রাতে পেয়েছেন কিন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় সেখানে যেতে পারেননি তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত দেড়টার দিকে বেতকা বাজারের একটি দর্জির দোকানে সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এ সময় সিলিন্ডার গ্যাসের দোকানে আগুন লেগে গেলে মুর্হূতের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুটি মুদি দোকান, ১টি ইলেকট্রনিক্স দোকান, ১টি ফার্মেসি, ৪টি চায়ের দোকান ও গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানসহ ১০টি দোকান ও দোকানের মালামাল পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৩০/৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার সকালে কাউখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ মিঞা মনু, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মৃদুল আহম্মেদ সুমন, পিরোজপুর জেলা পরিষদের সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেন অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাজার পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ মিঞা মনু জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের প্রত্যেককে ১০হাজার টাকা ও ২বান্ডিল ঢেউটিন বরাদ্দ দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৯

কাউখালীতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

কাউখালী বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৩৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দিনভর কোরআনখানী, দোয়া, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেলে মোসলেম আলী খান ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম আহসান কবীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ,উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিঞা,জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা ছিদ্দীকুল ইসলাম,বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল হাসান নিকসন,ছাত্রদল নেতা শরিফুল আযম সোহেল প্রমুখ।

বুধবার, ১ মে, ২০১৯

কাউখালীতে মে দিবসে র‌্যালি-সমাবেশ


মহান মে দিবস উপলক্ষে পিরোজপুরের কাউখালীতে র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন।

বুধবার সকালে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয় যা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ মিঞা মনু,ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(তদন্ত) মোঃ ফরিদ হোসেন,পিরোজপুর জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ শহীদুল ইসলামসহ শ্রমিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে কাউখালী চিরাপাড়া পারসাতুরিয়া ইজি বাইক অটো ড্রাইভার সমিতি, অটোরিক্সা ও অটোটেম্পু মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে।

শেরে বাংলা স্মৃতি পদক পেলেন শিক্ষক সুব্রত রায়



শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পদক-২০১৯ পেলেন কাউখালীর সুব্রত রায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ণ পরিষদের আয়োজনে গতকাল ৩০মে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকার শাহবাগে কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরীর ভিআইপি সেমিনার হলে উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এর ৫৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে শিক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সুব্রত রায়কে এ সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।  পদকপ্রাপ্তদেরকে একটি করে ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ণ পরিষদের সভাপতি লায়ন এ্যাডভোকেট মো: রবিউল হোসেন রবি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের নির্বাহী সভাপতি অশোক বড়ুয়া।
অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জেড এ হায়দার জীবন ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যে দেশে গুণীজনদের কদর করা হয়না সে দেশে গুণীজন জন্মেনা । অবিভক্ত বাংলার ত্যাগী ও মহান রাজনীতিবিদ শেরে বাংলার নামে আজ এ স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশে হাজারো গুনীজনের সৃষ্টি হবে। প্রদকপ্রাপ্ত গুনীজনদের মধ্যে সুব্রত রায় তাঁর অনুভূতি ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন, এ সম্মান আমার জীবনে অনেক বড় পাওয়া। যারা এ রকম একটি সুন্দর আয়োজন করেছেন তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ ।


শিক্ষক সুব্রত রায় ১৯৬৭ সালে পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলার গন্ধর্ব গ্রামে এক মধ্যবিত্ত শিক্ষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পরলোকগত পিতা সুভাষ চন্দ্র রায় ছিলেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। মাতা মুকুল রানী মিস্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। সুব্রত রায় নিজেও একজন শিক্ষক । তিনি কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত আছেন। ১৯৮৪ সালে তিনি স্বরূপকাঠী উপজেলার ইএসপি ইনষ্টিটিউশন, বাটনাতলা থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি স্বরূপকাঠী কলেজ থেকে এইচএসসি ও ১৯৮৯ সালে কাউখালী মহাবিদ্যালয় হতে ডিগ্রী পাস করেন। এরপর তিনি উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৯২ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে এম.এ পাস করেন। পাশাপাশি তিনি ১৯৯৫ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড ডিগ্রী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.বি ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০৬ সালে পেশাগত ক্ষেত্রে তিনি সি-ইন-এড প্রশিক্ষণও লাভ করেন। তার স্ত্রী বীথিকা সাহা, সেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক। তাঁর দু‘টি সন্তান রয়েছে । তারা অধ্যয়নরত ।
শিক্ষার মানের দিক থেকে সে তাঁর বিদ্যালয়টিতে আমূল পরিবর্তন এনেছেন । শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় প্রতি বছর শতভাগ পাসের হার সহ সর্বাধিক জিপিএ-৫ ও সর্বাধিক বৃত্তি অর্জন করে  থাকে। ২০১০ সালে সমাপনী পরীক্ষায় তাঁর বিদ্যালয় থেকে একজন শিক্ষার্থী সারা দেশের মধ্যে ৫ম স্থান অধিকার করে । পরবর্তীকালে আরও কয়েকবার তাঁর বিদ্যালয়ের ফলাফলে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে । শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব । পেশাগত পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলামে সংগীত বিষয়ের নির্ধারিত ১৩টি গান নিয়ে তার একটি অডিও অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে, যা দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংগীত বিষয়ের শিক্ষা সহায়ক উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।  এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা গবেষণা পরিষদের সদস্য সচিব এবং শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন।


শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৯

মাদক ব্যবসা করলে জেলে থাকতে হবে: ডিআইজি শফিকুল ইসলাম


রবিউল হাসান রবিন,

বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো.শফিকুল ইসলাম,বিপিএম(বার)পিপিএম বলেছেন,মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ বন্ধ করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ হবে। তাই দেশের উন্নয়ন করতে হলে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, নারী নির্যাতন,বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ করা একান্ত প্রয়োজন। দেশ ও জাতীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পুলিশের কর্মকর্তারা মাঠে নেমে কাজ করে যাচ্ছেন। মাঠে কাজ করার কারনে বরিশাল বিভাগের সহ¯্রাধিক মাদক ব্যবসায়ীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে ।

শুক্রবার বিকেলে পিরোজপুরের কাউখালী থানার আয়োজনে মাদক-সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ-নারী নির্যাতন বিরোধী সুধী সমাবেশ ও কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের পুরুস্কার বিতরন  সভায় সরকারী বালক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ডিআইজি  আরো বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসা করবেন, আর বাইরে ঘুরে বেড়াবেন; তা হবে না। হয় মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে, নইলে জেলে থাকতে হবে। যারা মাদক ছেড়ে আলোর পথে এসেছে, আমরা তাদের সহায়তা করবো। 
পিরোজপুরের পুলিশ সুপার(ভারপ্রাপ্ত)মোল্লা আজাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  কাজী শাহানেওয়াজ, (পিপিএম- সেবা),উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাইদ মিঞা মনু,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান,অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুজ্জামান তালুকদার,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শাহ মোহাম্মদ কাউয়ুম, সাধারন সম্পাদক তালুকদার মোঃ দেলোয়ার হোসেন,জাতীয় পার্টিজেপি’র সাধারন সম্পাদক শাহ আলম নসু, জেলা পরিষদের সদস্য শাহাজাদী রেবেকা শাহীন চৈতী, ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিলটন,অধ্যক্ষ অলোক কর্মকার, অধ্যক্ষ মাওলানা মো.মোস্তাফিজুর রহমান,বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক গৌতম দাস,জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক সুব্রত রায়,দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি সুনন্দা সমাদ্দার,শিক্ষক বাবর তালুকদার,সাংবাদিক রতন কুমার দাস প্রমূখ।
 পরে প্রধান অতিথি ৪৩জন শিক্ষক ও ৩৫০জন কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরুস্কার বিতরন করেন। সমাবেশে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।

শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০১৯

প্রচরণার শেষ মুহুর্তে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুমনের নির্বাচনী শো-ডাউন


কাউখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ মুহুর্তে  মিছিল ও শো-ডাউন করেছে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো.মৃদুল আহম্মেদ  সুমনের নেতা-কর্মীরা।শুক্রবার সকালে কাউখালী বন্দরে তারা এই আয়োজন করেন। প্রথমে বিভিন্ন গ্রাম থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে  নেতা কর্মীরা চশমা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহŸান জানান।

এর আগে মিছিলটি বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেস ক্লাবের সামনে এসে মিছিল শেষ হয়।

সব চেয়ে কম বয়সি তরুণ প্রজম্মের উদিয়মান নেতা আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ সহ সর্ব ক্ষেত্রে যার পরিচিতি বিদ্ধমান  উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মৃদুল আহম্মেদ সমুন।
তিনি চশমা মার্কার সমার্থনে দলীয় নেতা-কর্মীর পাশাপাশি ভোটারদের সাথে নিয়ে গত এক মাস যাবৎ দিন রাত নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ চালিয়েছেন।
দিন-রাত পায়ে হেঁটে বৃদ্ধদের দোয়া নিয়ে পথচারীদের সাথে আলিঙ্গন করে মা-বোনদের সালাম জানিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।
যে কারণে তিনি নির্বাচনী এলাকায় প্রচার-প্রচারনায় এগিয়ে রয়েছেন।
যিনি নামে ও প্রার্থীতায় নবীন হলেও রাজনীতি এবং পরিচিতি ও প্রচারনায় সব প্রার্থীর চেয়ে প্রবিণ।
মৃদুল আহম্মেদ সুমন বর্তমানে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি,শিক্ষানুরাগী,সাংবাদিক। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নানা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃত্ত রয়েছেন।
নির্বাচনে এসেই তিনি নিজস্ব ব্যাতিক্রমধর্মী কৌশল অবলম্বর করে কাউখালী উপজেলাবাসী একেবারে কাছে চলে এসেছেন। ভোটারদের মাঝে সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে নিজের প্রতি ভোটারদের অস্থা অর্জন করেছেন।
মৃদুল আহম্মেদ সুমন বলেন,  ভোটারদের আমার প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। একই ভাবে দলীয় সকল নেতা-কর্মীরা আমাকে সার্বক্ষনিক সাহস যুগাচ্ছেন।আমি কাউখালী উপজেলাবাসীকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
তাই আগামী ৩১মার্চ চশমা মার্কায় ভোট দিয়ে কাউখালী উপজেলা বাসীর সেবা করার সুযোগ দিবেন।আমি সেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই।